vibes🍁

যদি মানুষ সর্বদা নিজের মস্তিষ্ককে প্রাধান্য দিতো,হৃদয়কে অনুসরন না করতো,তবে হয়তবা পৃথিবীর ইতিহাসটা এতোটাও সুন্দর হতো না।

Advertisements

Zazakallahu khairan💫

কাউকে ধন্যবাদ না বলে “জাঝাকাল্লাহু খাইরান” বলবেন।

হযরত উসামা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমার প্রতি যদি কেউ কৃতজ্ঞতার আচরণ করে তখন যদি তুমি তাকে জাযাকাল্লাহ খাইরান (আল্লাহ তোমাকে উত্তম বিনিময় দান করুন) বল তাহলেই তুমি তার যথাযোগ্য প্রশংসা করলে।
-জামে তিরমিযী, হাদীস : ২০৩৫; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৩৪১৩- সহীহ
৩ – অন্য হাদীসে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা. বলেন,. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি তোমাদের সাথে সদ্ব্যবহার করে তোমরা তার উত্তম প্রতিদান দাও। (অর্থাৎ মাল/সম্পদ এর মাধ্যমে) প্রতিদান দেয়ার মতো কিছু না পেলে তার জন্য দু‘আ করতে থাকো, যতক্ষণ না তোমরা অনুধাবন করতে পারো যে, তোমরা তার প্রতিদান দিতে পেরেছো।
-সুনানে আবু দাউদ ১৬৭২, নাসায়ী- ২৫৬৬ ; আল আদাবুল মুফরাদ লিলবুখারী ২১৬- সহীহ

৪- হজরত ওমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন “তোমরা যদি জানতে, তোমাদের ভাইদের জন্যে তোমাদের বলা কথা “জাযাকাল্লাহু খাইরান” এর মধ্যে কী কল্যাণ ও ফাযায়েল নিহিত রয়েছে, তাহলে একে অন্যের সাথে প্রতিযোগী হয়ে বেশি বেশি ‘জাযাকাল্লাহু খাইরান’ বলতে।
-আল আদাবু লি ইবনে আবী শাইবা ২৩৪- মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা- ২৬৫১৯ সহীহ,
৫- “জাযাকাল্লাহ খাইরান” এটি সাহাবীদের অভ্যাসের অংশ ছিল। বিভিন্ন হাদিসের দ্বারা বোঝা যায়, এটি সাহাবাদের মাঝে ব্যাপক প্রচলন ছিল। যেমন- বুখারী- ৩৩৬/ মুসলিম-৩৬৭/ মুসলিম-১৮২৩, ইবনে হিব্বান- ৭২৭৭/ আল ওয়ারউ লিইমাম আহমদ- ২৫০/ আযযুহদ লাহু- ১১৪০ ইত্যাদি।

এর বেশ সুন্দর কয়েকটি অর্থ রয়েছে।

১। ﺧﻴﺮ ( খাইর) শব্দটি সে সমস্ত বিষয় বুঝায় যা আল্লাহর নিকট প্রিয়। তাই “খাইর” শব্দের মাধ্যমে আপনার জন্য সবরকমের কল্যাণ কামনা করা হল।
২। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ আপনাকে জান্নাত এবং জান্নাতে তাঁর দিদার দ্বারা সৌভাগ্যবান করুন।
৩। “জাঝাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ আপনাকে কাফিরদের স্থান জাহান্নাম থেকে হেফাজত করুন।
৪। “জাঝাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ যেন আপনাকে সিরাতে মুস্তাক্বিম তথা সরল পথে পরিচালিত করেন।
৫। “জাঝাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ যেন আপনার উপর কোন অভিশপ্ত শয়তানকে চাপিয়ে না দেন।
৬। “জাঝাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ যেন আপনার রিজিকের মধ্যে বরকত দান করেন।
৭। “জাঝাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ শেষ দিবস পর্যন্ত আল্লাহ যেন আপনাকে মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহারকারী করেন।
৮। “জাঝাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ যেন আপনাকে রাসূলের সুন্নাতের অনুসারী করেন।
৯। “জাঝাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ আপনাকে নেক সন্তান দান করুন।

১০। “জাঝাকাল্লাহু খাইরান” আল্লাহ আপনাকে সব রকম কল্যাণ দান করুন।

Never be under confident

এসএসসি ও এইচএসসি আমাদের জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি পরিক্ষা।কারন দীর্ঘ ১২ বছর তুমি অনেক সার্টিফিকেট অর্জন করেছো, সেগুলো কেউ দেখতো চাইবে না।কোন কাজেই আসবেনা সেইসকল সার্টিফিকেট। কিন্তু এই দুইটা সার্টিফিকেট ঠিক করে দিবে তুমি জীবনে কি হতে পারবে।আর কি হতে পারবে না।তুমি যেই চাকরিই করো না কেন।যে যায়গায়ই যাওনা কেন এই দুটি সার্টিফিকেট এর প্রয়োজন পুরাবেনা।তাই সকল শিক্ষার্থী, তাদের মা-বাবা শিক্ষক সবারই এই দুটি সার্টিফিকেট নিয়ে ভিষন মাথা ব্যাথা।যেভাবেই হোক রেজাল্ট ভালো করতে হবে।প্রতি বছর লক্ষের কাছাকাছি শিক্ষার্থী এ প্লাস পায়।অনেকের মতে এ প্লাস বা ভালো রেজাল্ট মানেই উজ্জ্বল ভবিষ্যত।কিন্তু, এটিকি আদৌ সঠিক।মোটেই না।কেন সেটা পরে বলছি।অতঃপর যারা এই এক লক্ষের দলে শামিল হতে পারেনা।তারা প্রবল আশাহত হয়ে পড়ে।আগের আত্নবিশ্বাস,উদ্যম তারা হারিয়ে ফেলে।এখন তাদের মতে তাদের স্বপ্ন সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।অথচ তারা ভুলে যায় তাদের দেশের রাষ্ট্রপতি এসএসসিতে এ মাইনাস পেয়েছিল।তাদের দেশের জাতীয় করি প্রি টেষ্টের পর আর স্কুল যাওয়ার সুযোগ পায়নি।তাদের দেশের সন্তান পৃথিবীর দীর্ঘতম কাঠামোর নকসা করেছেন। যিনি নাকি এসএসসি পাশ করেছেন টেনেটুনে।এদের কথা বাদই দিলাম পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান ব্যাক্তি গনিতে ফেইল করতো।এবার কিছু সাধারন মানুষের কথা বলি।সে তার ক্লাসের প্রথম দিকের শিক্ষার্থী। এসএসসি তে তার স্কুল থেকে মোট ৫০০ জন পরিক্ষা দেয়।৫০০জনের মধ্যে সে সবচেয়ে বেশি নম্বর পায়।ছিল বৃত্তি ও। সেই মেয়ে এইচএসসিতে তিনবার ফেইল করে।অবশেষে বিয়ে হয়ে যায়। এখন সে বেশ সুখে আছে।😴😴😴সৈকতের কথা সবারই মনে থাকার কথা।সে ২০১৭ সালে এসএসসিতে ফেইল করায় আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।অথচ এই সৈকত,প্রথম থেকে দশম শ্রেণি অবধি সকল ক্লাসে রোল ০১ ছিল।আমাদের সিনিয়র সবগুলা ব্যাচেই কম বেশি এসএসসির পর রোল ০১,০২,০৩ দের বিয়ে হয়ে যেত।অথচ খবর নিলে শুনা যেত ওদের সাথেই পরত রোল ৭০,৮৫,৯১ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে,মেডিকেলে বা বুয়েটে পড়ছে।কি অদ্ভুত না।নোবেল বিজয়ী এক সায়েন্টিস্ট বলেছিলেন,আমি ছোট থেকে বেশ বুদ্ধিমান ছিলাম।পড়াশুনায় সবার ছেয়ে এগিয়ে।একদিন এক সেমিনারে গিয়েছিলাম সেখানে ভাষন দিতে দেখলাম আমার এক স্কুল বন্ধুকে, পরে কথা বলে যানতে পারলাম সে বিশ্বের সেরা কলেজ হাভার্ডের প্রফেসর।সেই বন্ধু যে কিনা কোন ক্লাসে হোমওয়ার্ক আনতো না।দুএকটা ছাড়া সকল পরিক্ষায় ফেল করতো।চীনের সবচেয়ে বড় মার্কেটিং ওয়েবসাইট আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা প্রাইমারিতে দুবার ফেইল করেন। যেটিকে আমাদের দেশে পিইসি পরিক্ষা বলা হয়ে থাকে।আমাদের দেশের মতো ওদের দেশে এসএসসি বলা হয় না।তবে যে পরিক্ষাটি হয় এটিকে প্রবেশিকা বলা হয়।এটিতে পাশ করলে তবেই কলেজে ভর্তি হওয়া যায়। জ্যাক মা এটিতে পর পর তিনবার ফেইল করেন।এবং চতুর্থ বার টেনেটুনে পাশ করেন।২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিক্ষায় কেবল দুইজন টিকে।অথচ সেই বছরের পাশের হার ৭৮.৬৭ এবং জিপিএ ফাইভ পায় ৬১,৭৬৫ জন।তবে কি বাকি ৬১,৭৬৩ জন I am GPA-5 টাইপের স্টুডেন্ট।এরথেকেই বুজা যায় সার্টিফিকেট কতটা মুল্যবান 🍁একটা সার্টিফিকেট নামক কাগজ আর কিছু নাম্বর কখনোই তোমার ডেডিকেশন বিচারে সক্ষম নয়।তুমি যাননা তোমার জন্য জীবনে কি অপেক্ষা করে আছে।তাই জীবন বা হতাশা নামক মাদক এ আসক্ত হওয়ার আগে নিজেকে সামলাও।আত্মবিশ্বাসী হও।নিজের গুন বের কর।সেদিকে লক্ষ রাখো।লক্ষে স্থির থাকো।এবং সামনের দিকে অগ্রসর হও।এসএসসিতে এ মাইনাস পাওয়া ছেলেটি আজকে একটি স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রপতি।আর সবছেয়ে বড় কথা আমাদের আইডল বলিউডের এবং হলিউডের সব উপরের েশ্রনির আর্টিস্ট রাই স্কুল পাশ।কি অদ্ভুত না?অথচ আজ পৃথিবীব মানুষ তাদের ভালোবাসে।কেউ তাদের সার্টিসার্টিফিকেট দেখতে চায় না।সার্টিফিকেট তাদের যোগ্যতার মানদন্ড হতে পারেনি।বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি বলেছিলেন আমি কম নম্বর পেয়েছিলাম,কিছু বিষয়ে ফেইল ও করেছিলাম।আমার অপর বন্ধু সব বিষয়ে ভালো নম্বর পেয়ে পাশ করে আজকে সে মাইক্রোসফট এ জব করে।আর আমি মাইক্রোসফট এর মালিক।এসব শুনে হয়ত অনেকেই বলবে আপনি ইউরোপের সাথে বাংলাদেশের কেন তুলনা করছেন।তাদের জন্্য বলবো, পরিক্ষা আর সার্টিফিকেট সব জায়গাতেই এক ভিন্ন যেটা হল সেটা হলো নাম।so,never be underconfident,তুমি তখনি পৃথিবীর সবচেয়ে সফল ব্যাক্তি হয়ে উঠবে যখন তুমি তোমার ভালোবাসার কাজটি খুজে পাবে,এবং তা করবেঃস্টিভ জবস
Find out your talent,find out the job which actually you love.certificate is just a paper🍁

We lost, we learn🍁

একদিন এক শিক্ষক তার সবচেয়ে প্রিয় ছাত্রকে জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা দিলেন,,,,, তিনি তার হাতে একটি ফ্লুয়েট (ink ereser) দিয়ে বললেন,
“এই নে এটাই হল সেই সমাধান যা তুই এতদিন ধরে খুজছিস। ”

সেই ছাত্র যে কিনা নিজের অতিত নিয়ে খুব বেশি হতাশাগ্রস্থ ছিল,
দুশ্চিন্তা,হতাশা তাকে সর্বোচ্চ গ্রাস করেছিল।

অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলি তার মনে খুব ভালো ভাবেই রেখাপাত করেছিল।
সে সর্বদা নিজের ব্যর্থতা নিয়ে বেশ ভাবত।আর এসবের মাঝে নিজের অস্তিত খু্ঁজতো।
তখন শিক্ষক বললেন,
” এই নে এখন এটা দিয়ে তোর অতীতের করা সব ভূল মুছে ফেল। এটাই সেই সমাধান যা তুই এতদিন ধরে খুঁজছিস।”
ছাত্রটির কাছে করার মতো বা দেওয়ার মত কোন উওরই ছিলনা।
কারন ফ্লুয়েট কখনোই তার সমস্যার সমাধান হতে পারে না, কারন ফ্লুয়েট দিয়ে কলমের কালি ই মুছা যায় না।
কেবল ঢেকে দেয় তা। সেখানে কেউ কিভাবে তা দিয়ে অতীত জীবনে করা ভুল মুছবে।
এ অসম্ভব।
তখন ছাএটি বুঝতে পারল, আসলে তার শিক্ষক কি বলতে চাইছেন।
শিক্ষক হাসলেন।
আর বললেন,
“আমাদের জীবন টা ঠিক এমনই। এমনই ফ্লুয়েট এবং তা দিয়ে জীবনে করা ভুল মুছার মতন।
“আমরা ভুল যায়গায় ভুল জিনিস প্রয়োগ করি আর যখন ব্যর্থ হই তখন নিজের ভাগ্য আর সৃষ্টিকর্তাকে দোষারপ করি।🌻

Never feel under confident🍁

⭕হাইস্কুলে নিজের অতি কুৎসিত গায়ের রংয়ের জন্য হয়েছিল র‍্যাগিংয়ের শিকার।ক্লাসমেটরা তাকে ব্রাউনি ডাকতো।ওয়াশরুম এ টিফিন খেতেন।সবসময় হীনমন্যতায় ভূগতেন। পরবর্তীতে সেই মেয়ে বিশ্বের সেরা সুন্দরীর খেতাব পায়।
⭕প্রি টেষ্ট এর পর তার হয়নি স্কুল যাওয়া,জীবিকার তাগিদে কখনো কাজ করেছেন রুটির দোকানে কখনোবা স্থানীয় মাদ্রাসার হুজুর ছিলেন।মা বাবা ছিল না। ছিল না ভালো বংশ মর্যাদা সেই ছেলে আজকে একটা স্বাধীনদেশের জাতীয় কবি।বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ যার হয়নি আজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে তার লেখনি পড়ানো হয়।
⭕তার ডিসলেক্সিয়া নামক রোগছিল।বইয়ের লেখা উল্টো দেখতো।পড়তে ও পারতো না, লিখতে ও না, গনিতে খারাপ ছিল তাই হয়নি ইন্জিনিয়ারিং পড়া।আজ সে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী।পৃৃথিবীর সবছেয়ে বুদ্ধিমান ব্যাক্তি।
⭕ তার বই ছাপাতে কোন প্রকাশকই রাজি হতো না।আজ সে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী লেখিকা।
⭕থাকতো সমুদ্রতীরে, বাবা মাঝি ছিলেন।ঘর বলতে চারদিকে বাশঁ কি টিনের দেয়াল উপরে খড়ের চাউনি,অতি নড়বড়ে ।বাতাস আসলে চাউনি উড়ে যেত।আজ সে বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল বাডিতে থাকে, প্রতি বছর হাজার কোটি টাকা দান করে।যা বিল গেইস এর ও অসাধ্য।
⭕মিজজিক ক্লাস থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।বলা হয়েছিল তার কন্ঠ ছাগলের মতো।স্কুলের গানের প্রতিযোগিতায় তার নাম নেওয়া হতো না। আজকে সে বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত গায়িকার একজন।পরপর দুটি বিশ্বকাপের থিম সং তার গাওয়া।
⭕এস এস সি তে এ মাইনাস পাওয়া ছেলেটা আজ রাষ্ট্রপতি
⭕একজন কাঠমিস্ত্রীর ছেলে বিশ্বের সেরা ধনী।
⭕প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।আজ বিশ্বের প্রতিটা ঘর তার কারনে আলোকিত।
⭕তার মা জানতো না তাতার বাবা কে,তাকে ছোটবেলায় হত্যার চেষ্টা করে তার মা।একদিক পুরুষের সাথে সম্পর্ক ছিল তার মায়ের।১১বছর বয়সে জেল এ নিয়ে যায় তার মাকে।তখন থেকে এতিম তিনি।১৫বছর বয়সে বিয়ে হয়।১৭কি ২১বছর বয়সে বিচ্ছেদ।মাদকে আসক্ত হয়ে যান তিনি।সেই মেয়ে পরবর্তীতে হলিউডের একচ্ছত্র রানী হয়ে যায়।বিশ্ববাসীর ভালোবাসা পায়।
⭕বাবা কারখানায় কাজ করতো, মা ছিল পরিচ্ছন্নতার কর্মী। সেই ছেলে আজ ফিফার ঘোষণাকৃত বিশ্বের স্রেষ্ঠ ফুটবলার।
⭕তার ঘরে আলো জ্বালানোর তেল ছিল না।আজ তার লেখার আলোয় বিশ্ব আলোকিত।
⭕ছিল ইহুদিদের দাস।যেমন কালো তেমনি বিশ্রি। মরূভুমির উত্তপ্ত বালুতে তাকে শুইয়ে রাখা হতো। সেই ব্যাক্তি বিশ্বের সবছেয়ে সুমধুর কন্ঠের অধিকারী। বিশ্বে প্রথম আজান দিয়েছিলেন তিনি।
⭕হাত নেই, পা নেই। কেবল জিহ্বা দিয়ে ছবি একে বিশ্বের সেরা পেইন্টার এর খেতাব পান।
⭕তার বাবা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী, ধনী অথচ তাকে নিজের পকেট মানির জন্য পার্টটাইম কাজ করতে হয়।
⭕চীনের সবচেয়ে বড় মার্কেটিং ওয়েবসাইট “আলিবাবা” পতিষ্ঠা করেন। অথচ তিনি প্রবেশিকা পরিক্ষায় তিন বার ফেইল করেন।
⭕সমস্ত শরীর অবশ ছিল।নড়ার শক্তি ছিল না।আবিষ্কার করে ফেলেন বিগব্যাং থিওরি
⭕ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলো পরার পেন্ট ছিলো না। দারোয়ান থেকে ধার নিতে হয়।তাও সেটি ছিল তার সাইজের বড়।পরবর্তীতে সে হয় একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভরনর।
🚫🚫🚫🚫প্রতিকুলতা থাকবেই।আমি কালো আমি কিভাবে মডেল হবো।আমি পড়াশোনায় খারাপ,আমার পারিবারিক আর্থিক অবস্থা ভালো না।আমার বাবা নেই।আমি বোবা।আমি খাটো,আমার পরিবারিক রেপুটেশন ভলো না এসব অযুহাত দেওয়ার আগে একবার শুধু এই মানুষ গুলির জীবনের দিকে তাকান। কি ছিল তাদের?কিছুই না। একটা জিনিসই তাদের এতো উপরে উঠতে সাহায্য করেছিল সেটা হল স্বপ্ন।তিনটা জিনিস তোমার জিবন পাল্টে দেবে।১.হার্ডওয়ার্ক ২.উইলপাওয়ার ৩.কনফিডেন্স। আর একটা জিনিস তোমাকে কখনো উপরে উঠতে দিবে না। সেটা হলো অযুহাত। যা আমরা প্রতিনিয়ত দিয়ে থাকি।
কখনো নিজেকে দুর্বল ভেবো না। সেই মানুষ কখনোই দুর্বল না যার ভিতর রয়েছে নিজের প্রতি অদম্য বিশ্বাস(confidence),কঠোর পরিশ্রম করার মানসিকতা (hardwork),দৃঢ় মনোবল(will power)।
তারুণ্য তুমি এগিয়ে যাও নিজ শক্তিতে।
ডেডিকেট টু Fabiha 😊😊

Be solid one,be great in real

আমাদের সমাজে কিছু মানুষ আছে মিসকিন কি দুটাকা ভিক্ষা দিয়ে নিজেকে মাদার তেরেসা বা প্রিন্সেস ডায়না মনে করেন।যেটি তারা আদৌ নয়।
কিছু সোশ্যাল ওয়ার্কার আছে এদের বেশির ভাগই ছাএ এবং বিভিন্ন পেশাজীবি। কেউই প্রোফেশনাল না।
তারা বিভিন্ন উপলক্ষে যেমন ই্দুল ফিতর,ই্দুল আজহা, স্বাধীনতা দিবস,মে দিবস,ভালোবাসা দিবসে পথশিশু ও টোকাই সহ বিভিন্ন চাইল্ড লেবারদের খাবার ও কাপড় চোপড় দিয়ে থাকেন।এবং তা উপর থেকে, নিছে থেকে,সামনে থেকে,পিছন থেকে বিভিন্ন এংগেল থেকে সেটির চিএধারন করে থাকেন।অতপঃর লাইটরুম,স্নাপসিড দিয়ে সেটি কে ভালো মত ঘষা মাজা করে যতরকমের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রয়েছে সেখানে আপলোড দেয়।বিশাল বড় ক্যাপশন থাকে।
এছাড়াও আমাদের সমাজের কিছু নামী মানুষজন রয়েছে যাদের বিশান মন।
তাদের ই একজন হলেন Rj Tazz,কানাডিয়ান নাগরিক।বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।
বাংলাদেশ ও তার কালচারকে তিনি বেশ ভালোবাসেন।
গরিব মানুষের এবং অসহায়দের মা হয়ে উঠেছেন তিনি।হয়ত মায়ের থেকেও বেশি।কারন কিছু মা বাবা আছে সন্তান জন্ম দানের সময় তাদের মাথায় এটা থাকে না যে সন্তানকে ঠিকমতো খাওয়াতে, চিকিৎসা দিতে পারবে কিনা।
এই সকল মানুষদের পাশে থাকেন তিনি সবসময়।মায়র থেকেও আপন।
অথচ তিনি এই জিনিস গুলার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুব প্রচারনা করেন।
কিছুটা উপর থেকে, নিছে থেকে,সামনে থেকে,পিছন থেকে বিভিন্ন এংগেল থেকে সেটির চিএধারন করেঅতপঃর লাইটরুম,স্নাপসিড দিয়ে সেটি কে ভালো মত ঘষা মাজা করে যতরকমের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রয়েছে সেখানে আপলোড দেওয়ার মতন ই।বিশাল বড় ক্যাপশন থাকে।আমি তাকে ছোট করছি না।হয়ত তিনি এসব না বুজেই করছেন।
আমাদের দেশে অনন্ত জলিল ছাড়া আর কেউ(চলচিত্র শিল্পী) কোন কালে দান খয়রাত করেছে বলে শুনা যায় নি।
কিন্তু পাশের দেশ ভারতে বলিউডে প্রতিযোগিতা হচ্ছে কে কার থেকে বেশি কত টাকা দান করবে।
এর পর সব নিউজ চ্যানেল এর হেড লাইন হয়।ওমুক নায়িকা এতো টাকা ডোনেট করেছেন।
এদের গুটিকয়েক জন ছাড়া সবাই মুসলিম।
Wait a minute,
ওহে দানশীল সমাজ,ওহে মুসলিম তুমি কি জীবনেও কুরআনের একটি পাতাও উল্টিয়ে দেখো নি।
আল্লাহ বলেছেন,
“তোমরা এমন ভাবে দান কর যেন ডান হাত দান করলে বাম হাত না যানতে পারে।”
দেখো তবে কতোটা গোপনীয়তা। আর তোমরা ০৫ টাকা দান করে সারা পৃথিবীকে জানান দাও।বলে বেড়াও।নিজেকে ওনেক বড় কিছু মনে করো।
এ নিয়ে আমার কিছু সোশ্যাল ওয়ার্কারের সাথে মত বিরোধ হয়।তারা ক্রমগত যুক্তি দিয়ে যাচ্ছিল।যুক্তি একটাই,তাদের এই স্থিরচিত্র সমুহ দেখে বাকিরাও অনুপ্রাণিত হবে।ভালো কাজে এগিয়ে আসবে।নামের জন্যে হলেও কাজ করবে।
Nice logic.Appriciateable👌👌👌
So,they are proudly saying that they don’t care about what allah declared,he just want to change the wolrd by their vibes,no matter about whatever almighty said.What a bullshit.😊😊😊
If you Can’t feed hundred peoples,then feed one daily(Mother Teresa)না পারলে দরকার হলে শুধু একজনকেই খাওয়াও তবুও লোক দেখানো বন্ধ করো।
Be solid one😊😊😊

Wanna bring a change on our thoughts

একটা মেয়ে জিন্স শার্ট পরে রাস্তায় বের হলে কেউ কিছু বলে না।
অথচ এই জিন্স শার্ট মেয়েদের জামা কাপড় নয়।এটা ছেলেদের।
এশিয়া ও ইউরোপের কম বেশি সকল উন্নয়নশীল দেশেই মেয়েরা চুল কেটে ফেলে এরং ছেলেদের রীতিতে চুল কাটায়।
ছেলেদের মতো সম্পূর্ণ হাত ঢেকে ট্যাটো করায়।
ছেলেদের জুতাকে কপি করে মেয়ের জুতা পামসু বানানো হয়েছে।যেটি এশিয়ার মেয়েরা সবছয়ে বেশি ব্যাবহার করে।
ইউরোপে মেয়েরা ছেলেদের সাথে তাল মিলিয়ে ক্যাসিনো, বার এ যায়।
জিমন্যাস্টিকস মেয়েদের জন্য ছিল। ওনলি ফর জেমস ।
সেখানেও পা ফেলেছে মেয়েরা।
মেয়েদের ঘর থেকে বেরোনো মানা ছিল।আজ তারা রাষ্ট নিয়ন্ত্রের কাজও করে।
ডিস্ক জকি,রেড়িও জকি ছেলেদের পেশা।আজ মেয়েদের ও পদচারনা ঘটিছে।
আগে ছেলেরা পতিতা পল্লি যেত।থাইল্যান্ড এ এখন মেয়েরা যায়।
মদ,সিগারেট এসব ছেলেদের নেশা দ্রব্য অথচ আজ মেয়েরাও পিছিয়ে নেই।
সীসা লজে গিয়ে সীসা টেনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার পিকচার আপলোড দিয়ে খুব অতি আধুনিকতার পরিচয় দিচ্ছে।
মসজিদে আজান দেওয়া বাদে মেয়েরা ছেলেদের বাকি সকল কাজকে অনুকরন করেছে। যেগুলি উচিত ছিলো না সেগুলিও।তবুও কেউ তাকে প্রশ্ন করে না।বলে না তুমি এটা কেনো করছ।
মেয়েদের প্রতি আমার ক্ষোভ নেই।
কারন আমি নিজেও একজন মেয়ে।
আমার প্রশ্ন ওহে জাগরুক সমাজ,তবে কেন এক যাএার দ্বিফল করো।
মেকাপ মেয়েদের বিষয় তবে কেন ছেলেরা করলে gay বলে গালি দাও।
মনে রাখবে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বড় মেকাপ আর্টিস্ট, হেয়ার এক্সপার্ট সবাই ছেলে।
রান্না করা মেয়েদের কাজ, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রাধুণিও কিন্তু ছেলে।
পৃথিবীর সব বড় বড় হোটেলের সকল চিপ সেফই ছেলে।
পশ্চিমাতে কিছু ছেলে মেয়েদের মতো earrings,nosepins পরে থাকে।
সাউথ কোরিয়ান শিল্পগোষ্ঠী কেপপ এর বেশির ভাগ গায়ক এর ই চুলে রং করা।
যেটি মেয়েদের থেকে আগত।
এছাড়াও আমাদের এশিয়াতেও অনেক পুরুষ কিছু জামা পরে থাকে যা দেখতে সম্পূর্ণ মেয়েদের থ্রি পিস।
তখন আমরা তাদের দেখে একটা শব্দই উচ্চারন করি সেটা হল হিজড়া।
ইদানিং অমেক ছেলে ইন্সটাগ্রাম ও ইউটিউবে মেকআপ টিউটোরিয়াল এবং বিউটি টিপসের বল্গ খুলেছেন।
যেহেতু এটা মেয়েদের পেশা সেহেতু গালি তাদের প্রাপ্য।
কারন একটাই তারা ছেলে।
ঠিক এই কাজটাই মেয়েরা বহুকাল আগে থেকে করে আসছে।
এবং প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে।
তারা মসজিদে আজান দেওয়া ছাড়া আর প্রতিটি কাজে ছেলেদের অনুকরন করেছে।
তখন আমাদের জাগ্রত জনতা বাহবা দিয়েছে।নারি তুমি এগিয়ে যাও।
আর একজন ছেলে যখন একটা মেয়েকে অনুকরন করে তখন সে হিজড়া।
Isn’t it supports racism??Isn’t it????
তোমার চিন্তাভাবনা বদলাও।দেখবে পৃথিবীটা পাল্টে যাবে।
we blame Society,we are societ😊😊😊

Create your website at WordPress.com
Get started